অনলাইনে পরিচয়, ডিডিও কলে শরীরিক স’ম্পর্ক, ভিডিও কলে বিয়ে, সপ্তাহ যেতেই তালাক

অনলাইনে পরিচয়। এরপর ভিডিও কলে বিয়ে হলো আদনান ও লুবাবার। কিন্তু বিয়ের এক সপ্তাহ যেতেই ভা’ঙন। আদনানের দা’বি- লুবাবা অন্য মে’য়ে বাবলী পরিচয়ে তাকে ধোঁ’কা দিয়েছে। অন্যদিকে- স্ত্রী’র স্বী’কৃতি চায় লুবাবা। এই দা’বিতে সে থা’নায় অ’ভিযোগও করেছে।

বিষয়টি ত’দন্ত করছে পু’লিশ। ঘ’টনাটি ঘ’টেছে কানাইঘাট উপজে’লায়। স্থানীয় গোয়ালজুর ভাটরকোনা গ্রামের মৃ’ত নাজিম উদ্দিনের ছে’লে আদনান আহম’দ দীর্ঘ ৭ বছর ধরে থাকেন কাতারে। বাড়িতে আসা-যাওয়া কম তার। আর লুবাবা বেগমের বাড়ি উপজে’লার নারাইনপুর গ্রামে।

পিতা আব্দুর রহমান।প্রবাসে থাকা আদনানের সঙ্গে লুবাবার পরিচয় হয় অনলাইনের মাধ্যমে। এরপর দু’জন একে-অ’পরের প্রে’মে জ’ড়িয়ে পড়েন। ভা’র্চ্যুয়াল প্রে’মে দু’জনই একে-অ’পরের প্রে’মে মজে যান। এরপর তারা সিদ্বান্ত নেন বিয়ে করার।

কাতারে থাকা আদনানের কথামতো গত ১২ই আগস্ট আদনানের ভাই লোকমান আহম’দ ও তার এক বন্ধুর সঙ্গে সিলেট শহরতলীর মেজরটিলাস্থ রজনীগন্ধা টাওয়ারের বাসায় যান লুবাবা।

তবে আসার সময় সে তার পরিবারকে অবগত করে আসেনি। এ কারণে লুবাবা বাড়ি থেকে নিখোঁ’জ হওয়ার পর পরিবারের লোকজন তার খোঁ’জ করতে থাকেন। এক পর্যায়ে তারা জানতে পারেন লুবাবা বেগম রজনীগন্ধা টাওয়ারে একটি ফ্ল্যাটে রয়েছে।

আদনানের সঙ্গে প্রে’মের সূত্র ধ’রে সে বাড়ি থেকে পা’লিয়ে সিলেটে চলে এসেছে।১৩ই আগস্ট লুবাবার পরিবারের সদস্যরা সেখানে যান। এবং তারা লুবাবাকে খুঁ’জে পান। এদিকে- লুবাবার পরিবারের সদস্যরা সেখানে গেলে প্রবাসী আদনান ভিডিও কলের মাধ্যমে লুবাবার পরিবারের সঙ্গে

কথা বলে। এ সময় আদনান জানান- ‘তিনি লুবাবা বেগমকে বিয়ে করবেন এবং যে বাসায় লুবাবা বেগম রয়েছে সেখানে থাকবে।’
এদিকে- আদনানের কথা মতো রা’জি হয়ে যায় লুবাবার পরিবারও। পরে ১৩ই আগস্ট রাতে শাহ্‌পরাণ ও কানাইঘাট এলাকার গণ্যমান্য

ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে ৮ লাখ টাকা দেনমোহর ধা’র্য্য করে কাজীর মাধ্যমে আদনান ভিডিও কলের মাধ্যমে লুবাবাকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর লুবাবা পরিবারের সঙ্গে তার বাড়িতে চলে যায়।

লুবাবার পরিবার জানায়- আদনান দেশে এলে আনুষ্ঠানিকভাবে লুবাবাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে আসবে বলে কথা দিয়েছিল। এ কারণে সবার স’ম্মতিতে লুবাবাকে বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। এদিকে- বিয়ের পর আদনান প্রবাস থেকে স্ত্রী’ লুবাবার সঙ্গে ভিডিও কলের মাধ্যমে যোগাযোগ র’ক্ষা করে চলছিল।

কিন্তু হ’ঠাৎ করে আগস্টের শে’ষদিকে এসে লুবাবার সঙ্গে কথা বলা কমিয়ে দেয় আদনান। যোগাযোগও বি’চ্ছিন্ন করে দেয়। এমনকি ডিভোর্স দেয়ার কথাও জানিয়ে দেয়। আদনানের এমন ঘোষণায় অ’সহায় হয়ে পড়ে লুবাবা। এই অ’বস্থায় লুবাবা ও তার পরিবার বিষয়টি নিয়ে আদনানের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারাও লুবাবাকে আদনানের স্ত্রী’ হিসেবে স্বী’কৃতি দিবে না বলে জানিয়ে দেয়।

এ ঘ’টনা লুবাবার পরিবারের লোকজন এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে অবহিত করেন। কিন্তু ঘ’টনার কোনো সুরাহা হয়নি। পরে লুবাবা বেগম নিজে বা’দী হয়ে ৩রা নভেম্বর কানাইঘাট থা’নায় একটি অ’ভিযোগ দা’য়ের করেন। এতে লুবাবা বেগম অ’ভিযু’ক্ত করেছেন তার স্বামী আদনান আহম’দ, দেবর লোকমান আহম’দ, কাম’রান আহম’দ, শাশুড়ি ছায়রা বেগম, ননদ মিনা বেগম, চাচাতো দেবর আলম, বোনজামাই আব্দু’ল্লাকে।

লুবাবার দা’বি- পরিবারের সদস্যদের প্ররো’চনার কারণেই আদনান তাকে ডিভোর্স দিতে চাইছে। এরপর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ বিভিন্ন মাধ্যমে তাকে হে’নস্তা করার জন্য নানা অ’পপ্রচার রটানো হচ্ছে। যা আদৌও সঠিক নয়। এদিকে- আদনানের স্বজনরা জানিয়েছেন- পা’গল হয়ে আদনান লুবাবাকে বিয়ে করেছে।

এখন কেন ডিভোর্স দিতে চাইছে সেটি তারা জানেন না। তবে- আদনানের কাছ থেকে লুবাবা ও তার স্বজনরা অনেক টাকা আ’ত্মসাৎ করেছে বলে জানান তারা। স্বজনরা জানান- লুবাবা নিজেকে বাবলী পরিচয় দিয়ে আদনানের সঙ্গে প্রে’ম করেছে। সে জানিয়েছিল- মেডিকেল কলেজে পড়ালেখা করে। কিন্তু বাস্তবে তা ছিল না।

বিয়ের পর আ’সল স’ত্যটি বুঝতে পারে আদনান। তারা জানান- বিভিন্ন অজুহাতে প্রায় আড়াই লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে লুবাবা। এমন কি তার ভাই পরিচয়ে তার সহযোগী আফরোজ হাতিয়ে নেন ৫০ হাজার, ছোটভাই পরিচয় দিয়ে কুতুব উদ্দিন নামে আরো একজন নেন ৩০ হাজার টাকা। আদনান যখন বুঝতে পারে সে বাবলী নয়, লুবাবাকে বিয়ে করেছে তখনই স’ম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করে দেয় বলে জানান তারা।

এদিকে- প্রবাসে থাকা আদনানের সঙ্গে প্রে’ম, বিয়ে এবং স’ম্পর্ক বিচ্ছি’ন্ন করার ঘ’টনায় থা’নায় যে অ’ভিযোগ দিয়েছে সেটির ত’দন্ত করছে কানাইঘাট থা’না পু’লিশ। কানাইঘাট থা’নার সাবইন্সপেক্টর রাজীব মণ্ডল জানিয়েছেন- অ’ভিযোগের ত’দন্ত করতে তিনি আদনান আহম’দের গোয়ালজুর ভাটরকোনা গ্রামে যান। জানতে পারেন- আদনানের পরিবারের সবাই শাহ্‌পরাণ এলাকায় বসবাস করেন। পু’লিশ পুরো ঘ’টনাটি খতিয়ে দেখছে বলে জানান তিনি।অনলাইনে পরিচয়। এরপর ভিডিও কলে বিয়ে হলো আদনান ও লুবাবার। কিন্তু বিয়ের এক সপ্তাহ যেতেই ভা’ঙন। আদনানের দা’বি- লুবাবা অন্য মে’য়ে বাবলী পরিচয়ে তাকে ধোঁ’কা দিয়েছে। অন্যদিকে- স্ত্রী’র স্বী’কৃতি চায় লুবাবা। এই দা’বিতে সে থা’নায় অ’ভিযোগও করেছে।

বিষয়টি ত’দন্ত করছে পু’লিশ। ঘ’টনাটি ঘ’টেছে কানাইঘাট উপজে’লায়। স্থানীয় গোয়ালজুর ভাটরকোনা গ্রামের মৃ’ত নাজিম উদ্দিনের ছে’লে আদনান আহম’দ দীর্ঘ ৭ বছর ধরে থাকেন কাতারে। বাড়িতে আসা-যাওয়া কম তার। আর লুবাবা বেগমের বাড়ি উপজে’লার নারাইনপুর গ্রামে। পিতা আব্দুর রহমান।

প্রবাসে থাকা আদনানের সঙ্গে লুবাবার পরিচয় হয় অনলাইনের মাধ্যমে। এরপর দু’জন একে-অ’পরের প্রে’মে জ’ড়িয়ে পড়েন। ভা’র্চ্যুয়াল প্রে’মে দু’জনই একে-অ’পরের প্রে’মে মজে যান। এরপর তারা সিদ্বান্ত নেন বিয়ে করার। কাতারে থাকা আদনানের কথামতো গত ১২ই আগস্ট আদনানের ভাই লোকমান আহম’দ ও তার এক বন্ধুর সঙ্গে সিলেট শহরতলীর মেজরটিলাস্থ রজনীগন্ধা টাওয়ারের বাসায় যান লুবাবা।

তবে আসার সময় সে তার পরিবারকে অবগত করে আসেনি। এ কারণে লুবাবা বাড়ি থেকে নিখোঁ’জ হওয়ার পর পরিবারের লোকজন তার খোঁ’জ করতে থাকেন। এক পর্যায়ে তারা জানতে পারেন লুবাবা বেগম রজনীগন্ধা টাওয়ারে একটি ফ্ল্যাটে রয়েছে। আদনানের সঙ্গে প্রে’মের সূত্র ধ’রে সে বাড়ি থেকে পা’লিয়ে সিলেটে চলে এসেছে।

১৩ই আগস্ট লুবাবার পরিবারের সদস্যরা সেখানে যান। এবং তারা লুবাবাকে খুঁ’জে পান। এদিকে- লুবাবার পরিবারের সদস্যরা সেখানে গেলে প্রবাসী আদনান ভিডিও কলের মাধ্যমে লুবাবার পরিবারের সঙ্গে কথা বলে। এ সময় আদনান জানান- ‘তিনি লুবাবা বেগমকে বিয়ে করবেন এবং যে বাসায় লুবাবা বেগম রয়েছে সেখানে থাকবে।’

এদিকে- আদনানের কথা মতো রা’জি হয়ে যায় লুবাবার পরিবারও। পরে ১৩ই আগস্ট রাতে শাহ্‌পরাণ ও কানাইঘাট এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে ৮ লাখ টাকা দেনমোহর ধা’র্য্য করে কাজীর মাধ্যমে আদনান ভিডিও কলের মাধ্যমে লুবাবাকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর লুবাবা পরিবারের সঙ্গে তার বাড়িতে চলে যায়।

লুবাবার পরিবার জানায়- আদনান দেশে এলে আনুষ্ঠানিকভাবে লুবাবাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে আসবে বলে কথা দিয়েছিল। এ কারণে সবার স’ম্মতিতে লুবাবাকে বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। এদিকে- বিয়ের পর আদনান প্রবাস থেকে স্ত্রী’ লুবাবার সঙ্গে ভিডিও কলের মাধ্যমে যোগাযোগ র’ক্ষা করে চলছিল।

কিন্তু হ’ঠাৎ করে আগস্টের শে’ষদিকে এসে লুবাবার সঙ্গে কথা বলা কমিয়ে দেয় আদনান। যোগাযোগও বি’চ্ছিন্ন করে দেয়। এমনকি ডিভোর্স দেয়ার কথাও জানিয়ে দেয়। আদনানের এমন ঘোষণায় অ’সহায় হয়ে পড়ে লুবাবা। এই অ’বস্থায় লুবাবা ও তার পরিবার বিষয়টি নিয়ে আদনানের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারাও লুবাবাকে আদনানের স্ত্রী’ হিসেবে স্বী’কৃতি দিবে না বলে জানিয়ে দেয়।

এ ঘ’টনা লুবাবার পরিবারের লোকজন এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে অবহিত করেন। কিন্তু ঘ’টনার কোনো সুরাহা হয়নি। পরে লুবাবা বেগম নিজে বা’দী হয়ে ৩রা নভেম্বর কানাইঘাট থা’নায় একটি অ’ভিযোগ দা’য়ের করেন। এতে লুবাবা বেগম অ’ভিযু’ক্ত করেছেন তার স্বামী আদনান আহম’দ, দেবর লোকমান আহম’দ, কাম’রান আহম’দ, শাশুড়ি ছায়রা বেগম, ননদ মিনা বেগম, চাচাতো দেবর আলম, বোনজামাই আব্দু’ল্লাকে।

লুবাবার দা’বি- পরিবারের সদস্যদের প্ররো’চনার কারণেই আদনান তাকে ডিভোর্স দিতে চাইছে। এরপর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ বিভিন্ন মাধ্যমে তাকে হে’নস্তা করার জন্য নানা অ’পপ্রচার রটানো হচ্ছে। যা আদৌও সঠিক নয়। এদিকে- আদনানের স্বজনরা জানিয়েছেন- পা’গল হয়ে আদনান লুবাবাকে বিয়ে করেছে।

এখন কেন ডিভোর্স দিতে চাইছে সেটি তারা জানেন না। তবে- আদনানের কাছ থেকে লুবাবা ও তার স্বজনরা অনেক টাকা আ’ত্মসাৎ করেছে বলে জানান তারা। স্বজনরা জানান- লুবাবা নিজেকে বাবলী পরিচয় দিয়ে আদনানের সঙ্গে প্রে’ম করেছে। সে জানিয়েছিল- মেডিকেল কলেজে পড়ালেখা করে। কিন্তু বাস্তবে তা ছিল না।

বিয়ের পর আ’সল স’ত্যটি বুঝতে পারে আদনান। তারা জানান- বিভিন্ন অজুহাতে প্রায় আড়াই লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে লুবাবা। এমন কি তার ভাই পরিচয়ে তার সহযোগী আফরোজ হাতিয়ে নেন ৫০ হাজার, ছোটভাই পরিচয় দিয়ে কুতুব উদ্দিন নামে আরো একজন নেন ৩০ হাজার টাকা। আদনান যখন বুঝতে পারে সে বাবলী নয়, লুবাবাকে বিয়ে করেছে তখনই স’ম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করে দেয় বলে জানান তারা।

এদিকে- প্রবাসে থাকা আদনানের সঙ্গে প্রে’ম, বিয়ে এবং স’ম্পর্ক বিচ্ছি’ন্ন করার ঘ’টনায় থা’নায় যে অ’ভিযোগ দিয়েছে সেটির ত’দন্ত করছে কানাইঘাট থা’না পু’লিশ। কানাইঘাট থা’নার সাবইন্সপেক্টর রাজীব মণ্ডল জানিয়েছেন- অ’ভিযোগের ত’দন্ত করতে তিনি আদনান আহম’দের গোয়ালজুর ভাটরকোনা গ্রামে যান। জানতে পারেন- আদনানের পরিবারের সবাই শাহ্‌পরাণ এলাকায় বসবাস করেন। পু’লিশ পুরো ঘ’টনাটি খতিয়ে দেখছে বলে জানান তিনি।