এমসি কলেজে গণধর্ষণ: ছাত্রলীগ নেতাদের বিরুদ্ধে চার্জগঠন পেছাল

আসমিপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে আলোচিত গণধর্ষণ মামলায় আট ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে চার্জগঠনের তারিখ দুদিন পিছিয়ে ১৩ জানুয়ারি নির্ধারণ করেছেন আদালত।

রোববার সকালে সিলেটের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল মো. মোহিতুল হক চৌধুরীর আদালত এ সিদ্ধান্ত দেন।

এর আগে সকালে কঠোর নিরাপত্তায় মামলার আট আসামিকে আদালতে হাজির করে পুলিশ।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী রাশিদা সাইদা খানম যুগান্তরকে জানান, আদালতে আসামিপক্ষ আরও দুদিন সময় বাড়ানোর আবেদন করলে বিচারক তা মঞ্জুর করেন। চার্জগঠনের শুনানির তারিখ নির্ধারণ হয় আগামী ১৩ জানুয়ারি।

এ সময় আসামিপক্ষের আইনজীবী তারেকুল ইসলাম তারেকের জামিন চাইলে আদালত তা নামঞ্জুর করেন।

এর আগে গত ২৫ সেপ্টেম্বর সিলেটের এমসি কলেজ হোস্টেলে স্বামীকে আটকে রেখে নববধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী।

নির্যাতিত নারীর স্বামীর মামলার পরিপ্রেক্ষিতে আটজনকে অভিযুক্ত করে ৩ ডিসেম্বর অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। পরে গত ৪ জানুয়ারি এ আদালতে আসামিদের উপস্থিতিতে চার্জগঠনের তারিখ নির্ধারিত হয় আগামী ১০ জানুয়ারি।

প্রসঙ্গত গত ২৫ সেপ্টেম্বর এমসি কলেজে স্বামীর সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার হন ওই নববধূ। রাত সাড়ে ৮টার দিকে স্বামীর কাছ থেকে ওই গৃহবধূকে জোর করে তুলে নিয়ে ছাত্রাবাসে ধর্ষণ করেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এ সময় কলেজের সামনে তার স্বামীকে বেঁধে রাখা হয়।

এ ঘটনায় ভিকটিমের স্বামী বাদী হয়ে শাহপরাণ থানায় মামলা করেন। মামলায় ছাত্রলীগের ছয় নেতাকর্মীসহ অজ্ঞাত আরও তিনজনকে আসামি করা হয়। এ পর্যন্ত মামলার ছয়জন এজাহারভুক্ত আসামিসহ আটজন গ্রেফতার হয়েছেন।